বাংলা ভাষা শিক্ষণ (CPS-1)
সর্বোচ্চ নম্বর: ১০০
অভ্যন্তরীন: ৩০বহিঃস্থ: ৭০
উত্তীর্ণ নম্বর: অভ্যন্তরীন এবং বহিঃস্থ মূল্যায়নে প্রতিটির জন্য ৪০%
শিক্ষার্থী সংস্পর্শ সময়: ৯০ ঘন্টা
উদ্দেশ্যসমূহ
শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতার উন্নয়ন।
প্রারম্ভিক স্তরে মাতৃভাষা বাংলা পাঠ্যক্রমের বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিজ্ঞানভিত্তিক ধারণা প্রদান।
ভাষা শিক্ষণ ও শিক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে সঠিক ধারণা গঠন।
শ্রেণীকক্ষে বিভিন্ন শিক্ষণ-অধিগম পদ্ধতি ও শ্রেণী পরিচালনায় দক্ষতা অর্জন।
শিশুদের পারদর্শিতার মূল্যায়ন এবং শিক্ষাকে নিশ্চিত করার জন্য প্রাতিষ্ঠানিক ধারণা প্রতিষ্ঠা।
বাংলা ভাষায় দক্ষতা এবং ভাষাগত শিক্ষায় সহায়ক পদ্ধতি সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধি।
সিলেবাসের বিষয়বস্তু ও ঘণ্টা বণ্টন
| পাঠ একক | বিষয়বস্তু | ঘন্টা |
|---|---|---|
| ১ | প্রথম শ্রেণী থেকে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ কর্তৃক নির্ধারিত পাঠ্যপুস্তকের পর্যাপ্ত জ্ঞান অর্জন | ৯ |
| ২ | বাংলা ভাষা শিক্ষণের উদ্দেশ্যসমূহ ও গুরুত্ব: মাতৃভাষা শিক্ষা ও মাধ্যম রূপে বাংলার প্রয়োজনীয়তা এবং বিভিন্ন কমিশনের মতামত | ১০ |
| ৩ | বাংলা ভাষা শিক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতি: শব্দানুক্রমিক, বর্ণানুক্রমিক, বাক্যানুক্রমিক, অভিনয়, অনুকরণ, অনুবন্ধ, বিবৃতিমূলক পদ্ধতি, আলোচনা ও প্রকল্প | ১০ |
| ৪ | বাংলা ভাষা শিক্ষণের বিভিন্ন স্তর ও দক্ষতা: শ্রবণ, কথন, পঠন, লিখন, সৃজনাত্মক লিখন, হস্তলিপি, বানানবিধি এবং শব্দ ভাণ্ডার বিকাশ | ১৭ |
| ৫ | পাঠ পরিকল্পনা ও পাঠটীকা তৈরি: পাঠ পরিকল্পনার গুরুত্ব, অনুপাঠটীকা ও বৃহৎ পাঠটীকা, সক্রিয়তা ভিত্তিক কর্মপত্র, শিক্ষণ সহায়ক উপকরণ প্রণয়ন ও প্রয়োগ | ১০ |
| ৬ | কার্যগত ব্যাকরণ: ব্যাকরণ শিক্ষার লক্ষ্য, পাঠ্যপুস্তকের ব্যাকরণ সুবিধা-অসুবিধা, আরোহী-অবরোহী পদ্ধতি, বান্ধারা, বাক্য ও বাক্যের শ্রেণীবিভাগ, সমুচ্চারিত ভিন্নার্থক শব্দ | ১২ |
| ৭ | লিখন দক্ষতা: অনুচ্ছেদ রচনা, বিষয়বস্তুর বাক্য নির্বাচন ও বিন্যাস, সংযোজক শব্দ ব্যবহার, পত্র এবং অন্যান্য লিখনের ধরন, লেখার ঘরানা (নিয়ন্ত্রিত, অবাধ, সৃজনশীল) | ১০ |
| ৮ | প্রারম্ভিক স্তরে বাংলা শিক্ষণ নিয়ে সামসাময়িক প্রশ্ন: বহুভাষাভাষী ও বিধিসংস্কৃতির প্রেক্ষাপটে বাংলা শিখন, ভাষা আত্মস্থকরণের উপকরণ ও বয়সক্রম বিবেচনা | ৭ |
| ৯ | ভাষার স্বরূপ: ভাষা ও ভাষার মধ্যে পার্থক্য (প্রথম, দ্বিতীয়, বিদেশী ভাষা), শ্রেণিকক্ষে ভাষার ব্যবহার ও প্রজ্ঞার উন্নয়ন, ভাষাসমৃদ্ধ শ্রেণীকক্ষ | ৭ |
| ১০ | মূল্যায়ন: ধারাবাহিক ও সামগ্রিক মূল্যায়ন (CCE), মৌখিক ও লিখিত মূল্যায়ন, কার্যসম্পাদনমূলক মূল্যায়ন, অভ্যন্তরীন ও বহিঃমূল্যায়ন, দক্ষতাভিত্তিক প্রশ্নপত্র ও ব্লুপ্রিন্ট প্রণয়ন | ৬ |
অতিরিক্ত তথ্য:
পাঠদান পদ্ধতি: বক্তৃতা, প্রদর্শন, সক্রিয় শিক্ষণ উপকরণ ব্যবহার, দলগত ও অংশগ্রহণমূলক শিক্ষণ।
মূল্যায়ন: অভ্যন্তরীন ও বহিঃমূল্যায়ন দুই ধাপে।